নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৪৪ জন। টঙ্গীতে ওষুধ কারখানাতে ভয়াবহ আগুন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তা ড,ইউনুস। ২ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরাতে সহযোগিতা চায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা। ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় চ্যালেঞ্জ করে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন : ইনু। যুবরাজ সিংকে দিল্লি ক্যাপিটালসের সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সাংবাদিক ফারজানা রুপার পক্ষে আইনি লড়াই করতে যুক্তরাজ্যের ২ আইনজীবীর আবেদন। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে আজারবাইজান ও ইরাক সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান চালিয়ে ৬৩০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক। দেশে ডিজেলের দাম বাড়ায় সরকার বাসভাড়া সমন্বয় করেছে।

ডাকসু-নির্বাচন ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এখন সরগরম।

আমারদেশ ২৪ নিউজ।
শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এখন সরগর। গতকাল শুক্রবার ( ২৯ আগস্ট) ছুটির দিনেও প্রচার কার্যক্রম চালাতে মাঠে ছিলেন প্রায় সব প্যানেলের প্রার্থীরা। আবাসিক হলগুলোর পাশাপাশি অনাবাসিক ভোটারদের আকৃষ্ট করতে আটঘাট বেঁধে নেমেছেন হেভিওয়েট থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা। কেউ দলগতভাবে আবার কেউ স্বতন্ত্রভাবে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। কষছেন নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে কেউ রাজনৈতিক কারণে, কেউ বা অভিনব প্রচার তৎপরতা ও সাবলীল বাচনভঙ্গির কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। শুরু থেকেই তারা অনলাইন ও অফলাইনে বেশ সক্রিয়। আর উৎসবের আমেজের মধ্যেও থেমে নেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। প্রশাসন থেকে শুরু করে শিক্ষক কিংবা বিভিন্ন সংগঠন এবং প্যানেলের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তবে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, নির্বাচনে কে এগিয়ে আর কে পিছিয়ে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। অনেক প্রার্থীই নানা প্রতিশ্রুতির বুলি আওরাচ্ছেন, আকাশ-কুসুম স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।
শুক্রবার ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হল, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল, কবি সুফিয়া কামাল হল, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, রোকেয়া হল, সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, কবি জসীম উদ্দীন হল, টিএসসি, কলাভবন এবং অনাবাসিক একাধিক শিক্ষার্থী  জানান, দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বন্ধ,  আবাসন সংকট নিরসন, হলের খাবারের মানোন্নয়ন, পরিবহন সংকট সমাধান,  কারিকুলাম ও গবেষণার আধুনিকায়ন, হয়রানিমুক্ত প্রশাসনিক সেবা,  সর্বোপরি বসবাসযোগ্য ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা নিশ্চিতে বাস্তবায়নে যারা অগ্রাধিকার দেবে তাদেরকেই ডাকসুর নেতৃত্বে দেখতে চান তারা।
কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন সময়ের আলোকে বলেন, আমরা যখন ভর্তি হই তখন ক্যাম্পাসে এক ধরনের  ভয়ের সংস্কৃতি ছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তা এখন নেই। গণরুম কিংবা টর্চার সেল নেই। এবারের নির্বাচনে যে প্রার্থীই পাস করুক না কেন দলীয়  ছাত্র বা শিক্ষক-রাজনীতির ক্ষেত্রে আমরা লেজুড়বৃত্তি চাই না। যে যেই রাজনীতিই করুন না কেন, সেটি হতে হবে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে। এখানে অন্য কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা যাবে না।

আরও পড়ুন