নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
চট্রগ্রাম মনছুরাবাদ এলাকা বিশাল ইয়াবা চালানসহ ট্রাক ড্রাইভার আটক। নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি হওয়া বাইকসহ ৪ জন গ্রেপ্তার। দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ভক্তদের ঢল। দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে লাখো মানুষের সমাগম কক্সবাজার সৈকতে। গ্রাউন্ডে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ৪৩ রানে হেরেছে টাইগার যুবারা। রাজধানীতে ডিএমপি পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৩৪। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে দেখা মিলল দুই পরাশক্তির রোমাঞ্চকর। তেঁজগাও এলাকার একটি বাসা থেকে ১ নারীর মরদেহ উদ্ধার। আগামী ১০ বছরেও দেশে ফেরার সম্ভবনা নেই শেখ হাসিনা : স্পিকার। হোয়াইটওয়াশের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।

হামলায় পাকিস্তানও অন্যতম বলে মন্তব্য – যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় পারমাণবিক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাদের মধ্যে পাকিস্তানও অন্যতম বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দান্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড বুধবার ওই মন্তব্য করেছেন।

এর আগে বুধবার মার্কিন সিনেটের ইন্টেলিজেন্স কমিটির বৈঠকে ২০২৬ সালের বার্ষিক হুমকি মূল্যায়ন উপস্থাপন করেন তুলসি গ্যাবার্ড। সেখানে বিশ্বের কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক হুমকি হয়ে উঠছে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে তুলসি গ্যাবার্ড বলেন, পাকিস্তান ছাড়াও ইরান, চীন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া সক্রিয়ভাবে পরমাণু ও প্রচলিত ওয়ারহেড বহনে সক্ষম নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম বলে সতর্ক করে দেন তিনি।

মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করে গ্যাবার্ড বলেন, ইসলামাবাদের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি। তিনি বলেন, ‌‌‘‘রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, ইরান ও পাকিস্তান বিভিন্ন ধরনের উন্নত ও প্রথাগত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন চালিয়ে যাচ্ছে; যা আমাদের মাতৃভূমিকে তাদের নাগালে নিয়ে এসেছে।’’

মার্কিন এই গোয়েন্দা প্রধান বলেন, পাকিস্তানের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির তালিকায় সম্ভবত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে; যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে পারে।

বার্ষিক হুমকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে; যাতে তারা নিজেদের কর্মসূচিকে সেই অনুযায়ী সাজাতে পারে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, আগামী এক দশকে এই ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি আরও বাড়বে। ২০৩৫ সাল নাগাদ এই হুমকির পরিমাণ বর্তমানের ৩ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র থেকে বেড়ে তা ১৬ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ওয়াশিংটন-ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ সুজা নওয়াজ ওই মূল্যায়নকে পূর্ববর্তী মার্কিন নীতির ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসনও পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। তবে পাকিস্তানের শাহিন-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২ হাজার ৮০০ কিলোমিটারের কম এবং ইসলামাবাদ বারবার বলেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কেবল ভারতকে মোকাবিলার জন্য। দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা অন্য কোনও দেশে আঘাত হানার কারণ পাকিস্তানের নেই। তবে এই ধরনের মূল্যায়ন উদীয়মান মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

আমারদেশ২৪ নিউজ। 

 

আরও পড়ুন