নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিসসহ একটি কাভার্ড ভ্যান ও মোটরসাইকেল আটক করেছে বিজিবি। ব্যাটালিয়নের অভিযানে জব্দ প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি। নির্বাচন কমিশনের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার। বন্দরে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ ঘোষণার আড়ালে কাটা বা আমদানির ঘটনা উদঘাটন করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা। ৫৩টি মোবাইল ফোন ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে ভুলবশত চলে যাওয়া সর্বমোট ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার। শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। আর ই-টিকেটিং সিস্টেমের ড্যাশবোর্ডের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান। গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে বিশ্বের এক নম্বর শহর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে নিউইয়র্ক। উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধি। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশে টানা ৫ দিনের ছুটি।

এমন অবস্থায় কোনো বাবার পক্ষে বড় স্বপ্ন দেখা সম্ভব নয়।

এমন অবস্থায় কোনো বাবার পক্ষে বড় স্বপ্ন দেখা সম্ভব নয়।আগে তার চিকিৎসা, তারপর ছেলে যা হওয়ার হবে। তবে হোর্হে মেসি একটু অন্যভাবেই যেন ভেবেছিলেন।

ছেলের পায়ে ফুটবল প্রতিভার ঝলক দেখে কেউ যদি তার হরমোন চিকিৎসার ভার নেয়। তার এই ভাবনাতেই ফুটবল শিল্পী মেসির জাদুকরী গল্পের শুরু। আর এই গল্পের প্রথম নায়ক লিওনেল মেসি নন; তার বাবা হোর্হে মেসি।

ছোট্ট মেসি তখন রোজারিওর মাঠে ফুটবল নিয়ে ছুটে বেড়ান। পায়ের সঙ্গে বলের অদ্ভুত এক বন্ধুত্ব, যা বিস্মিত করেছিল সবাইকে। কিন্তু সেই ছোট্ট শরীরেই ধরা পড়ল গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি। প্রয়োজন চিকিৎসার। কিন্তু সেই চিকিৎসা ছিল ব্যয়বহুল। হোর্হে মেসিও সাধারণ এক চাকুরে, দীর্ঘদিন সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় তার পক্ষে।

তিনি ছেলের ফুটবল প্রতিভাকে সামনে নিয়ে আসেন। কড়া নাড়েন বার্সেলোনার দরজায়। তার ভাবনাটা ছিল খুব সরল যদি এই প্রতিভাবান ছেলেটির ফুটবল প্রশিক্ষণের সঙ্গে চিকিৎসাটাও চলতে পারে, তাহলে হয়তো মেসির ভবিষ্যৎটা বাঁচানো যাবে।

বার্সেলোনা এফসিও রাজি হয়ে যায়। ২০০০ সালে মাত্র ১৩ বছরের ছেলেকে নিয়ে হোর্হে পাড়ি জমালেন বার্সেলোনায়। সেদিন হয়তো বাবার চোখে ছিল না ব্যালন ডি’অর। ছিল না বিশ্বকাপ। তিনি জানতেন না, এই ছোট্ট ছেলেটি একদিন ফুটবল নামের খেলাটির সংজ্ঞাই বদলে দেবে। শুধু জানতেন, তার ছেলেটাকে বাঁচাতে হবে। চিকিৎসার পাশাপাশি লা মাসিয়ায় ফুটবল প্রশিক্ষণও চলতে থাকে। হোর্হে আর্জেন্টিনা ছেড়ে চলে আসেন স্পেনে, থাকলেন ছেলের পাশে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন