নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

দুই গোলেই অবদান রেখেছেন জুড বেলিংহাম।

স্পোর্টস ডেস্ক।

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রিয়াল মাদ্রিদ পেল দুর্দান্ত এক জয়। রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে হারানোর ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও। দুই গোলেই অবদান রেখেছেন জুড বেলিংহাম

দীর্ঘ ১৩ বছর পর বার্নাব্যুর ডাগআউটে মরিনিওকে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন রিয়াল সমর্থকেরা। একসময় যাঁকে নিয়ে ছিল প্রবল উচ্ছ্বাস, সেই মরিনিওকে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে দুয়োধ্বনিও শুনতে হয়েছে। তবে ম্যাচ শেষে করতালিই ছিল বেশি। মাঠের পারফরম্যান্সে রিয়াল সমর্থকদের মন জয় করে নেয় স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য নিজেদের ছন্দ খুঁজে পেতে কিছুটা সময় নেয় রিয়াল। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে গোলের দেখা পান এমবাপ্পে। ফেদে ভালভের্দের পাস থেকে বক্সের ভেতর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন ফরাসি তারকা।

চার মিনিট পর লুকা সুসিচের গোলে সমতায় ফেরে সোসিয়েদাদ। এরপর অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় রিয়াল।

৬০ মিনিটে বেলিংহামের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। ৬৮ মিনিটে বেলিংহামের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান ভিনিসিয়ুস। আর ৮০ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের অসাধারণ পাস থেকে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এমবাপ্পে।

বিশেষ করে এমবাপ্পের তৃতীয় গোলের আগে ভিনিসিয়ুসের দেওয়া পাসটি ছিল দারুণ। সোসিয়েদাদের এক ডিফেন্ডারের দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল বাড়িয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

মরিনিওর জন্যও ম্যাচটি ছিল বিশেষ। লা লিগায় বার্নাব্যুতে এটি ছিল তাঁর ৫৮তম ম্যাচ। এর মধ্যে ৫০তম জয় তুলে নিয়েছেন তিনি। ঘরের মাঠে লিগে মরিনিওর দল এখন পর্যন্ত ২০২ গোল করেছে।

তবে ম্যাচ শেষে নিজের মাইলফলক নিয়ে খুব একটা কথা বলেননি মরিনিও। বরং এমবাপ্পের প্রশংসাতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন তিনি। রিয়াল কোচ বলেন, ‘এই ছেলেটি অবিশ্বাস্য। আমি দেখতে পাচ্ছি, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিহাস গড়তে সে ভীষণ আগ্রহী।’

এ মৌসুমে এমবাপ্পের কাছ থেকে কত গোল প্রত্যাশা করেন- এমন প্রশ্নের জবাবে মরিনিও বলেন, ‘সেটা ৬০, ৪০ কিংবা ৫০ হতে পারে, আমি জানি না। ট্রফিসহ ৪০ গোলেই আমি সন্তুষ্ট। কিংবা অনেক পরিশ্রমের ৪০ গোল।’

এমবাপ্পের পেশাদারত্বেরও প্রশংসা করেন মরিনিও। তাঁর ভাষায়, দলের দায়িত্ব নিতে ফরাসি তারকা ছুটি শেষ হওয়ার দুই দিন আগেই ফিরে এসেছেন। এমনকি সোসিয়েদাদের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট তাঁকে মাঠে রাখার পরও মরিনিওর মনে হয়েছে, এমবাপ্পে আরও একটি গোল করতে পারতেন।

ম্যাচের প্রথম দিকে গ্যালারি থেকে মরিনিও ও ভিনিসিয়ুস দুজনকেই দুয়োধ্বনি শুনতে হয়েছে। তবে রিয়াল কোচ বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বার্নাব্যুকে আমরা জানি। খেলোয়াড়েরাও জানে একটুখানি দুয়োতে কারও কোনো ক্ষতি হবে না।’শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক ও রিয়ালের ৪-১ গোলের জয়ই হয়ে থাকল মরিনিওর বার্নাব্যু প্রত্যাবর্তনের সবচেয়ে বড় স্মৃতি।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন