লংমার্চের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ থাকায় জনভোগান্তির পাশাপাশি দেশে চলমান জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। আজ শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন দাবি করেন, জামায়াতের লংমার্চকে কেন্দ্র করে প্রায় এক লাখ লিটার তেল অপচয় হচ্ছে একই সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ মানুষ ও পরিবহন খাতে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। লংমার্চের কারণে এসব যানবাহনের চলাচল বন্ধ থাকায় অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি জনদুর্ভোগও বাড়ছে।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। তিনি আরও দাবি করেন, বিরোধী দলের ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচির প্রতি সাধারণ মানুষের তেমন আগ্রহ নেই; বরং কর্মসূচির কারণে সড়ক বন্ধ থাকায় জ্বালানি সংকট ও জনভোগান্তি আরও তীব্র হচ্ছে।
নিজের পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে অবগত। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের সমস্যা ও অব্যবস্থাপনার দায় মাত্র কয়েক মাসের সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা সঠিক নয়।
তিনি অভিযোগ করেন, দলীয় স্বার্থে এবং মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে পুঁজি করে জামায়াত জনগণের ওপর ‘লংমার্চ’ কর্মসূচি চাপিয়ে দিয়েছে।
তবে রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মন্তব্য ও দাবি হিসেবে এসেছে। লংমার্চের কারণে ঠিক কত পরিমাণ জ্বালানি অপচয় হয়েছে বা রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কত এ বিষয়ে স্বাধীন কোনো সরকারি হিসাব তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
amardesh24.com









