নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
নিহত অপ্রতিমের মায়ের ব্যবহৃত আইফোনটি তুহিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুয়াকাটা সৈকতের বালুচরে ভেসে উঠছে অজস্র সাদা ঝিনুক। অপ্রতিম হত্যা মামলায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ২ বেঞ্চে ২২টি মামলার বিচার চলছে। কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৭ শর্ত : ইরানের। তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ। ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। সাগর উপকূলের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ প্রাঙ্গনে অপ্রতিমের জানাজা সমপন্ন। ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায়।

তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ।

তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে গতকাল শনিবার দেশের অন্যতম বৃহৎ ও পুরোনো এই গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এদিন দুপুরে সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

এ ছাড়া তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৯ নম্বর কূপ থেকেও শিগগিরই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। পাশাপাশি আগামী ছয় মাসের মধ্যে, অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই আরও দুটি কূপের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।

তিতাস গ্যাসক্ষেত্র সূত্র জানায়, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) পরিচালনাধীন এ গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপ বর্তমানে উৎপাদনে রয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস উত্তোলনের কারণে মজুত ও চাপ কমে যাওয়ায় পুরোনো কূপগুলোর উৎপাদন ধীরে ধীরে কমছে।

এ পরিস্থিতিতে সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ‘সি’ লোকেশনে নতুন গ্যাসের উৎসের সন্ধানে ২০১২ সালে জরিপ পরিচালনা করে বিজিএফসিএল। পরে ২০২০ সালে ওই জরিপের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে নতুন কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিতাস ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়। প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৬০১ মিটার গভীরতায় কূপটির খননকাজ শেষ হয় চলতি বছরের ২৭ মে। চীনা প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি কূপটির খননকাজ সম্পন্ন করে। পরে ১৯ জুন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন