নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
নিহত অপ্রতিমের মায়ের ব্যবহৃত আইফোনটি তুহিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুয়াকাটা সৈকতের বালুচরে ভেসে উঠছে অজস্র সাদা ঝিনুক। অপ্রতিম হত্যা মামলায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ২ বেঞ্চে ২২টি মামলার বিচার চলছে। কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৭ শর্ত : ইরানের। তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ। ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। সাগর উপকূলের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ প্রাঙ্গনে অপ্রতিমের জানাজা সমপন্ন। ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায়।

কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৭ শর্ত : ইরানের।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাতটি শর্ত দিয়েছে ইরান। এসব শর্ত মেনে না নিলে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাই জানিয়েছেন, কাতারের মাধ্যমে তেহরানের শর্তগুলো ওয়াশিংটনের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ইরান।

শর্তগুলোর বিষয়ে রেজাই বলেন, ‘আমাদের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে সব ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, ইরানের ফ্রিজ বা অবরুদ্ধ করে রাখা অর্থ ছেড়ে দেওয়া এবং নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনা শুরুর জন্য ইরান সাতটি শর্ত নির্ধারণ করেছে। এ বিষয়ে তেহরানের অবস্থান স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রেজাইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজেদের তৈরি সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে চায় এবং আরও বড় বিপদের মুখে পড়া এড়াতে চায়, তাহলে ইরানের অধিকার ও শর্তগুলো মেনে নেওয়া ছাড়া তাদের সামনে কার্যকর কোনো বিকল্প নেই।

আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেজাই আরও বলেন, ‘এই শর্তগুলো মেনে নেওয়াই ওয়াশিংটনের স্বার্থে ভালো হবে। ট্রাম্পের হুমকিতে কোনো কাজ হবে না, আমরা যে কোনো চূড়ান্ত যুদ্ধের জন্য শতভাগ প্রস্তুত।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরুর উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে কাতার ও পাকিস্তান। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় রয়েছে দেশ দুটি।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যে ভয়াবহ সংঘাতের সূত্রপাত হয়, তা বন্ধে আঞ্চলিক অন্যান্য দেশও কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন