কেন এত সেনা ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হচ্ছে
মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিপুল সামরিক শক্তি একত্রিত হলে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে আরও বেশি বিকল্প থাকবে। নতুন মোতায়েনকে নিয়মিত সেনা বা সামরিক সরঞ্জাম বদলের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবেও দেখছেন কিছু সামরিক বিশ্লেষক।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও বলেছেন, ট্রাম্প নতুন করে হামলার নির্দেশ দিলে তা বাস্তবায়নে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
তবে নতুন সেনা মোতায়েনের অর্থ অবিলম্বে যুদ্ধ আবার শুরু হবে, এমনটি নিশ্চিত নয়। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, সামরিক শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ওয়াশিংটনের দর-কষাকষির সক্ষমতা বাড়াতেও এ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে আগে থেকেই বড় সামরিক উপস্থিতি
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নতুন নয়। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটির অন্তত ১৯টি স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী ও অস্থায়ী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর মধ্যে বাহরাইন, মিসর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছে স্থায়ী ঘাঁটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছিলেন। চলতি বছর ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করা হয়েছে।
amardesh24.com









