নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
মাসিক রাজস্ব আদায় ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। চট্রগ্রামে চলন্ত ট্রেনে উঠার সময় কাটা পড়ে সাবেক ছাএলীগ নেতার মৃত্যু। রেলওয়ের পরিত্যক্ত বগিতে আগুন। শাকিব খানকে নিয়ে নতুন সিনেমার ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতা হিমেল আশরাফ। ইসলামি মূল্যবোধের কথা বলে ইসলামের বুকে ছুরি মারবেন না: রাশেদ খাঁন। মেজর আক্তারুজ্জামানকে অবিলম্বে মুক্তির দাবী চান জামায়াত আমির। ১০ কোটি ব্যারেল পর্যন্ত ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল ছাড়ার উদ্যোগ। ভারতে ভোটারের নাম বাদ দেওয়াতে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবি। পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ও বগির সংযোগকারী হুক ছিঁড়ে গেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখে জরুরি তেল ছাড়তে বাধ্য করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।
আবারও বাড়ছে যুদ্ধ অষ্টম মাসে গড়ানোর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন।এর সঙ্গে আরও প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার মার্কিন সেনা যুক্ত হতে পারেন। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ এবং মেরিনবাহী ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ। রুজভেল্ট গত রোববার ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করেছে। এর সঙ্গে থাকা নৌবাহিনীর অন্যান্য জাহাজ ও মেরিন ইউনিটও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাচ্ছে।মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নতুন মোতায়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়বে। রুজভেল্ট পৌঁছালে ওই অঞ্চলে একই সময়ে তিনটি বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ অবস্থান করতে পারে।

কেন এত সেনা ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হচ্ছে

মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিপুল সামরিক শক্তি একত্রিত হলে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে আরও বেশি বিকল্প থাকবে। নতুন মোতায়েনকে নিয়মিত সেনা বা সামরিক সরঞ্জাম বদলের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবেও দেখছেন কিছু সামরিক বিশ্লেষক।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও বলেছেন, ট্রাম্প নতুন করে হামলার নির্দেশ দিলে তা বাস্তবায়নে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

তবে নতুন সেনা মোতায়েনের অর্থ অবিলম্বে যুদ্ধ আবার শুরু হবে, এমনটি নিশ্চিত নয়। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, সামরিক শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ওয়াশিংটনের দর-কষাকষির সক্ষমতা বাড়াতেও এ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে আগে থেকেই বড় সামরিক উপস্থিতি

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নতুন নয়। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটির অন্তত ১৯টি স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী ও অস্থায়ী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর মধ্যে বাহরাইন, মিসর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছে স্থায়ী ঘাঁটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছিলেন। চলতি বছর ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করা হয়েছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন