ঢাকা বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের অবিলম্বে মুক্তি এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
গতকাল শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে দ্রুত মুক্তি দিতে হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা ‘সাজানো মামলা’ প্রত্যাহার করতে হবে। তাঁর দাবি, আখতারুজ্জামান কাউকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করেননি এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা।
জামায়াত আমির আরও দাবি করেন, বিমানবন্দরের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণেই ঘটনার পর দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আখতারুজ্জামান মূলত যাত্রী হয়রানি, বিদেশ থেকে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের প্রতি উপেক্ষা এবং তাঁদের সঙ্গে অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ করেছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আখতারুজ্জামানের ব্যবহৃত ভাষার বিষয়টি আলাদাভাবে দেখার কথা উল্লেখ করেন। তবে তিনি যে বিষয়গুলোর প্রতিবাদ করেছেন, সেগুলোর ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে বিমানবন্দরে উপস্থিত যাত্রীদের কথা তুলে ধরেন।
শফিকুর রহমান বলেন, বিমানবন্দরের অনিয়ম, যাত্রী হয়রানি ও অসংগতির বিষয় আড়াল করতে যদি আখতারুজ্জামানকে হয়রানিমূলকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়ে থাকে, তাহলে এটি ‘অশনি সংকেত’। তাঁর দাবি, ভুক্তভোগী জনগণ এমন পরিস্থিতি মেনে নেবেন না।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার সকালে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের ওমরাহ যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্বকে কেন্দ্র করে শাহজালাল বিমানবন্দরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি দেওয়া, গালিগালাজ এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে।
পরে শুক্রবার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা করেন। এরপর শুক্রবার নিজ বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
amardesh24.com









