নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
বন্দরে এনসিটি চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তির মেয়াদ ১৫ বছর। মাসিক রাজস্ব আদায় ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। চট্রগ্রামে চলন্ত ট্রেনে উঠার সময় কাটা পড়ে সাবেক ছাএলীগ নেতার মৃত্যু। রেলওয়ের পরিত্যক্ত বগিতে আগুন। শাকিব খানকে নিয়ে নতুন সিনেমার ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতা হিমেল আশরাফ। ইসলামি মূল্যবোধের কথা বলে ইসলামের বুকে ছুরি মারবেন না: রাশেদ খাঁন। মেজর আক্তারুজ্জামানকে অবিলম্বে মুক্তির দাবী চান জামায়াত আমির। ১০ কোটি ব্যারেল পর্যন্ত ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল ছাড়ার উদ্যোগ। ভারতে ভোটারের নাম বাদ দেওয়াতে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবি। পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ও বগির সংযোগকারী হুক ছিঁড়ে গেছে।

মাসিক রাজস্ব আদায় ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

কাজী জাহাঙ্গীর: চট্টগ্রাম।

দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ওয়াসার মাসিক রাজস্ব আদায় ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। বকেয়া রাজস্ব আদায়ে আটটি বিশেষ দল গঠন করে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনার পর এই আদায় বেড়েছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার সেপ্টেম্বর (২০২৬) মাসের রাজস্ব আদায়ের হিসাব অনুযায়ী, গত মাসে সংস্থাটির মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ২৮কোটি ২৫ লাখ ৮৫হাজার টাকা। এর মধ্যে পানির বিল বাবদ আদায় হয়েছে ২৬ কোটি ১৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এরমধ্যে চলতি বিল ১৪ কোটি ১৯লাখ ১১ হাজার টাকা এবং বকেয়া বিল থেকে ১২ কোটি ১৪ হাজার টাকা আদায় হয়েছে।

এ ছাড়া সারচার্জ থেকে ৮০ লাখ ৫৭ হাজার টাকা, গভীর নলকূপ ফি ৬৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং নতুন সংযোগ খাত থেকে ৩৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। এর আগে আগষ্ট মাসে আদায় হয়েছিল ২৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ওয়াসার জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ আবুল কাসেম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

চট্টগ্রাম ওয়াসার বকেয়া রাজস্ব আদায়ে পুরোদমে মাঠে কাজ করছে রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে গঠন করা আটটি মনিটরিং টিম। চট্টগ্রাম ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজস্ব কর্মকর্তা, রাজস্ব তত্ত্বাবধায়ক ও মিটার পরিদর্শকদের সমন্বয়ে এ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। সকল মনিটরিং টিমের কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে আছেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) মিজ্ শারমিন আক্তার।

বকেয়া আদায়ে আটটি দল গঠন করে ওয়াসা। যেসব গ্রাহকের ২৫ হাজার টাকার বেশি বকেয়া আছে, তাদের সংযোগ সরেজমিন পরিদর্শন করে বকেয়া আদায় করছে দলগুলো। গত দুই মাস ধরে চলা এ কার্যক্রমে বকেয়া আদায়ের পাশাপাশি গ্রাহকদের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ এবং অবৈধ সংযোগ ও লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়াও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ওয়াসার তথ্য অনুযায়ী, সংস্থাটির মোট বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ৭১ কোটি ৫২ লাখ এবং সাধারণ গ্রাহকদের কাছে ১৮৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেছেন, ‘রাজস্ব আদায়ে বর্তমানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গঠিত দলগুলো এলাকাভিত্তিক কাজ করে বকেয়া থাকা গ্রাহকদের বিল পরিশোধে উৎসাহিত করছে। এর আগে ৫০ হাজার টাকার বেশি বকেয়া আদায়ে কাজ করা হয়েছে।

এখন ২৫ হাজার টাকার বেশি বকেয়াধারীদের নিয়ে কাজ চলছে। একাজে আগ্রহ ও উৎসাহ প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ বকেয়া আদায়কারী ৩ জন মিটার পরিদর্শককে ক্রেস্ট এবং প্রতি টিমের সকল সদস্যদের সনদ প্রদান করেছি। চট্টগ্রাম ওয়াসার সরকারের রাজস্ব আদায়ে বদ্ধপরিকর। সম্মানিত গ্রাহকদের অনুরোধ করবো, আইন মেনে সংযোগ ও নলকুপের লাইসেন্স গ্রহন করুন এবং বকেয়া টাকা পরিশোধ করুন।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন