তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে বাথরুমে নিয়ে অচেতন করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে হাসপাতালের আনসার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।গতকাল শনিবার রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালের ৮ তলায় সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিশু দেবআদৃতা দাসের নানা ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বজনদের অভিযোগ অনুযায়ী, লিটন মিয়া নামের এক ব্যক্তি শিশুটিকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ৮ তলার একটি বাথরুমে নিয়ে যান। সন্তানকে খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা জবারানী দাস হাসপাতালের ৩ তলায় গিয়ে কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের বিষয়টি জানান।
অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে আনসার বাহিনীর পিসি মো. গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে এপিসি মো. উজ্জল হোসেন এবং আনসার সদস্য মো. সুজন মিয়া ও মো. শাকিল হকসহ একটি টহল দল অনুসন্ধান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযানের পর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ৮ তলার একটি টয়লেটে লিটন মিয়ার কাছ থেকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশুটি কথা বলতে পারছিল না।
এ সময় অভিযুক্ত লিটন মিয়ার কাছ থেকে কিছু পরিমাণ গাঁজা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।আটক লিটন মিয়া গাজীপুর সদর উপজেলার জয়দেবপুরের হোতাপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।
amardesh24.com









