নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
গোবিন্দের বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ তুলেছিলেন সুনীতা। আইসিটি ল্যাবের জানালার গ্রিল কেটে ১৫টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি। চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ইদ্রিস মিয়া। কালিহাতীতে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৮১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবক গ্রেপ্তার। ব্যাংক কলোনীতে বাসায় ডেকে জিম্মি করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি গ্রেপ্তার ২। জাল ভিসার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাচার ২১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। সালাউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোকলেস মিয়া জামিনে মুক্তি। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও। বাধ্য হয়েই সরকারকে এলপিজি গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে । রিকশা চালক হত্যা মামলায় নাঈমুজামান গ্রেপ্তার।

সালাউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোকলেস মিয়া জামিনে মুক্তি।

সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা রাজনৈতিক মামলায় ২ বছরের কারাদণ্ডের পর আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যাওয়া ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিকদল নেতা ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোকলেস মিয়া জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। এ সময় কারাগারের বাইরে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা ফুলের মালা ও ফুল দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।

একই মামলায় কারাগারে যাওয়া যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলামও এদিন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। পরে নেতাকর্মীরা তাকেও ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কারা উপতত্ত্বাবধায়ক (জেলার) মো. ফখর উদ্দিন জানান, জামিনের কাগজপত্র যাচাই শেষে বিকেল ৫টার দিকে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম কারামুক্ত হয়েছেন।

এর আগে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তাদের আইনজীবী সোহেল খান নিম্ন আদালতের সাজার বিরুদ্ধে আপিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত দুজনের জামিন মঞ্জুর করেন।

২০১৭ সালের ২২ জুন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মামলার অন্যান্য ধারায় তাদের খালাস দেওয়া হয়।

পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি আপিল করেন। আপিলে নিম্ন আদালতের রায় ও সাজা বাতিল করে খালাস এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনের আবেদন করা হয়।

কারামুক্তির পর কারাগারের বাইরে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে তারা মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে ফুলের মালা পরিয়ে এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন