নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মারামারি ও ধস্তাধস্তির ঘটনায় ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা। পাকিস্তানের ১টি বেসরকারি স্কুলের ছাদ ধসে ২৮ শিশু ও ১ নারী শিক্ষকের মৃত্যু। সৌদিতে ২ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদন্ড। রাজধানীর উত্তরা এলাকায় টানা তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। ঝগড়া এড়াতে ফ্ল্যাটের বারান্দা দিয়ে পালানোর সময় ১১ তলা থেকে পড়ে ১জনের মৃত্যু। দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারাদেশে ২ লাখ পুলিশ মোতায়েন। ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে বলিউড অভিনেতা ইমরানকে। বাংলাদেশকে কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। মালেশিয়া চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন: মির্জা আব্বাস। যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১।

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় টানা তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ।

ঢাকার উওরাতে বকেয়া বেতন পরিশোধ, মজুরি বৃদ্ধি ও সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মূল বেতন নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীর উত্তরা আজমপুর এলাকায় টানা তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

আজ বৃহস্পতিবার সকালেও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন শ্রমিকরা। এতে আজমপুর ও রাজলক্ষ্মী এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে উত্তরা থেকে বিমানবন্দর সড়ক পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

টানা তিন দিন ধরে চলা এ আন্দোলনের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোতে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে আজমপুর ও রাজলক্ষ্মী এলাকায় যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে বর্তমান বেতনে জীবনযাপন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বকেয়া বেতন পরিশোধসহ নির্ধারিত দাবিগুলো পূরণের জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। এ কারণে বাধ্য হয়ে তারা রাজপথে নেমেছেন।

সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মূল বেতন নির্ধারণ, বকেয়া বেতন পরিশোধ, মজুরি বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজমপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে লাগাতার বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার সকালেও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন তারা।

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা ও যান চলাচল স্বাভাবিক করতে ঘটনাস্থলে রয়েছে শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশ। তারা আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শ্রমিকরা মহাসড়ক থেকে সরে যাননি। ফলে ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন