জনপদ নলিয়ান সফর শেষে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি হেলিকপ্টারযোগে নলিয়ানে পৌঁছান এবং নদীভাঙন ও সুপেয় পানির সংকটে ভোগা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দীর্ঘদিনের ভৌগোলিক দুর্দশাগ্রস্ত এই জনপদে দেশের।
সরকারপ্রধানের সরেজমিন আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ- উদ্দীপনা ও নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।
কর্মসূচি সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্মিত অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। পরবর্তীতে তিনি পায়ে হেঁটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পন্টুনে যান এবং সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে নৌপথে বাগেরহাট জেলার মোংলা নৌঘাঁটির উদ্দেশে যাত্রা করেন। পন্টুনে যাওয়ার পথে নলিয়ান বাজার মোড়ে অবস্থান নেওয়া শত শত সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান ও করমর্দন করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল এবং খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান। এছাড়া খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন এবং জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাতসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও অবস্থান উপলক্ষে নলিয়ানসহ সমগ্র এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ, পিজিআর, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের পাশাপাশি ডগ স্কোয়াড দিয়ে পুরো এলাকা পরিদর্শন ও তল্লাশি চালানো হয়। এছাড়া সফর সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে নলিয়ান বাজারের সংযোগ সড়ক পুনর্নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে হেলিকপ্টারে করে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল আকাশপথে পরিদর্শনের পর নলিয়ানে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোংলায় পৌঁছানোর পর সেখানে উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ ছাড়াও মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম, নতুন জেটি এলাকা এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর।
একই সঙ্গে সুন্দরবন অঞ্চলে সম্ভাব্য ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল নির্মাণের স্থান সরেজমিন পরিদর্শনও প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির অংশ বলে জানা গেছে।
amardesh24.com









