আমারদেশ২৪ ডেস্ক।
বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।আজ শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার গজমতি গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে শাওন (২২), নলমুড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে রব্বেল (২২), শাহজাহান আলীর ছেলে মিজান আলী (১২), মনিরুল ইসলামের ছেলে সাজিদ হোসেন (১০), শাহাদত প্রামাণিকের ছেলে আব্দুল্লাহ প্রামাণিক (১৮) ও ইবাদুল হোসেনের ছেলে ইমন হোসেন (১৪)। নিহতদের মধ্যে শেষের চারজন পরস্পরের চাচাতো ভাই।
আহত দুজন হলেন গজমতি গ্রামের আতাপ আলীর ছেলে রিপন (৩২) ও অজ্ঞাতপরিচয় এক কিশোর (১৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে নিহত ও আহত ব্যক্তিরা সোনাপাতিল বিলে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে যান। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে তাঁরা কাছেই জেলেদের একটি ছাউনিতে আশ্রয় নেন। পরে সেখানে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও দুজন। তাঁদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মালঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন বাবু জানান, বৃষ্টির সময় বজ্রপাত শুরু হলে তাঁরা একটি মাচাং ঘরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পলিথিন দিয়ে তৈরি ওই ঘরে একটি চৌকি ছিল। সেখানেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের সবাই কিশোর ও তরুণ বয়সী।
তিনি আরও জানান, বজ্রপাতে ছয়জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিহত ও আহতদের পরিচয় জানা গেছে। আমাদের একটি টিম সেখানে রয়েছে।’পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
পাবনা সদর উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আহমদ আলী বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমি ওই গ্রামে এসেছি। নিহতরা সবাই কৃষকের সন্তান। তাদের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়া হবে। তারা সরকারিভাবে কিছু সহযোগিতা পাবেন।
amardesh24.com









