আন্তর্জাতিক ডেস্ক।
প্রথম ৪ মাসে (জুলাই-অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ সময়ে দেশটিতে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৩৩৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয়ের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলার।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৭০৯ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে।
সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা, ভোক্তাদের পরিবর্তিত চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার মধ্যেও দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ প্রবৃদ্ধি পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন।
ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এ প্রবৃদ্ধি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের পণ্যের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার প্রমাণ।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি গন্তব্য। এত বড় ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের রপ্তানি খাতের জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।’
হাসান আরিফ আরও বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা সময়মতো পণ্য সরবরাহ, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্সের শর্ত পূরণের মাধ্যমে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের সক্ষমতার পাশাপাশি বড় ভোক্তাবাজারে দেশীয় পণ্যের ধারাবাহিক চাহিদার বিষয়টিও তুলে ধরছে।
বিকল্প বাজারেও বাড়ছে রপ্তানি
প্রচলিত বড় বাজারগুলোতে রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন ও বিকল্প বাজারেও বাংলাদেশের অবস্থান সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও অপ্রচলিত বাজারগুলোতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।
amardesh24.com









