নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও বেড়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দুদকের বিরুদ্ধে যে ৩টি অভিযোগ এনেছে : জুলাই নেতা। হাসান মাহমুদ টুকুর নিজ বাসার গ্যাস লাইনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। বিআরটিএর অনুমোদন ছাড়া মহাসড়কে স্লিপার বাস চলাচল করতে পারবে না। উত্তর কোরিয়ার প্রধান পারমাণবিক কমপ্লেক্স ইয়ংবিয়নের অংশ। ১০ হাজার কর্মী নেওয়ার বিষয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তিনি আপিলের সুযোগ পাবেন কি না, তা প্রচলিত আইন ও সংশ্লিষ্ট। নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া একটি সভ্য সমাজ পূর্ণতা পেতে পারে না: রিজভী। গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়েছে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন রূপ নেয় অগ্নিশিখায়।

 নিজস্ব প্রতিবেদক: হাজারীবাগ।

শনিবার ১৯ জুলাই ২০২৫

ছাত্র-জনতার আন্দোলন রূপ নেয় অগ্নিশিখা। দিনভর সংঘর্ষে এদিন দেশজুড়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০ জনে। ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ বাস্তবায়নে ফুঁসে উঠে ছাত্র-জনতা। হেলিকপ্টার থেকেও ছোড়া হয় গুলি। সবমিলিয়ে বিভিষীকার শহরে পরিণত হয় ঢাকা। এদিন রাত ১২টা থেকে কারফিউ জারি করা হয়।

রাজধানীর বাতাসে বারুদের গন্ধ, টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় টিকে থাকা দায়। সড়কগুলো দেখলে মনে হবে যেন এক বিধ্বস্ত জনপদ। ঢাকার রামপুরা, যাত্রাবাড়ী, নিউমার্কেট, কুড়িল, মহাখালী, উত্তরা—প্রতিটি পয়েন্টেই একই চিত্র।

রাজপথ থেকে আন্দোলনকারীদের হটাতে বেপরোয়া হয়ে ওঠে পুলিশ। নির্বিচারে চালানো হয় গুলি, সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার শেল। যেন এক যুদ্ধপরিস্থিতি। আতঙ্ক-উৎকণ্ঠা আর গুজবের নগরীতে পরিণত হয় দেশ।

গুলশান-১ এ ইটপাটকেল নিক্ষেপের পর দুটি বেসরকারি ভবনে ভাঙচুর করা হয়। মহাখালীতে রেল ও সড়ক অবরোধ করে দুটি গাড়িতে আগুন দেয় আন্দোলনকারীরা। এছাড়া নিউমার্কেটে পুলিশ ফাঁড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়।

এদিন সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় যাত্রাবাড়ী এলাকায়। দিনভর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া আর পুলিশ-বিজিবির অ্যাকশানে প্রকম্পিত হয় গোটা এলাকা।

ঘটনা ঘটে। এসময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আশপাশের এলাকায় বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। একই সময়ে হামলা চালানো হয় স্বৈরাচারের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত বিটিভিতেও।মালিবাগ থেকে রামপুরার বিটিভি ভবন পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার সড়কের পুরোটা জুড়ে অবস্থান নেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। চলমান আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ তারা।

খবর আসতে থাকে তখন আর ঘরে বসে থাকেনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। জীবন তুচ্ছ করে যুক্ত হন আন্দোলনে। তাদের দমাতে কুড়িলে হেলিকপ্টার থেকে টিয়ারশেল ছোড়ে র‌্যাব। সাউন্ড গ্রেনেড ও গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে তারা।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

আরও পড়ুন