নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ক্ল্যাসিকোয় বার্সেলোনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফেনীতে মেয়ের বটির কোপে মায়ের মৃত্যু। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭ জনকে ২ দিনের রিমান্ড। মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় আসেন: ইশরাক। জীবনের প্রথম আমজনতার তারেক ৪ দিনের সফরে জাপানে গেলেন। পটিয়া কুসুমপুরা অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুকে মারধর- চমেক মৃত্যু। জামায়াত নিজেদের ক্ষেত্রে ন্যায় কথা বললেও অন্যদের ক্ষেত্রে নারাজ: তাসনিম। ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন আওয়ামীপন্থি ২ আইনজীবী। তেলোর দাম কমায় বিশ্ববাজারে সোনার বেড়েছে। সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতে পিছ পা হবেন না: আইজিপি।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন রূপ নেয় অগ্নিশিখায়।

 নিজস্ব প্রতিবেদক: হাজারীবাগ।

শনিবার ১৯ জুলাই ২০২৫

ছাত্র-জনতার আন্দোলন রূপ নেয় অগ্নিশিখা। দিনভর সংঘর্ষে এদিন দেশজুড়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০ জনে। ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ বাস্তবায়নে ফুঁসে উঠে ছাত্র-জনতা। হেলিকপ্টার থেকেও ছোড়া হয় গুলি। সবমিলিয়ে বিভিষীকার শহরে পরিণত হয় ঢাকা। এদিন রাত ১২টা থেকে কারফিউ জারি করা হয়।

রাজধানীর বাতাসে বারুদের গন্ধ, টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় টিকে থাকা দায়। সড়কগুলো দেখলে মনে হবে যেন এক বিধ্বস্ত জনপদ। ঢাকার রামপুরা, যাত্রাবাড়ী, নিউমার্কেট, কুড়িল, মহাখালী, উত্তরা—প্রতিটি পয়েন্টেই একই চিত্র।

রাজপথ থেকে আন্দোলনকারীদের হটাতে বেপরোয়া হয়ে ওঠে পুলিশ। নির্বিচারে চালানো হয় গুলি, সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার শেল। যেন এক যুদ্ধপরিস্থিতি। আতঙ্ক-উৎকণ্ঠা আর গুজবের নগরীতে পরিণত হয় দেশ।

গুলশান-১ এ ইটপাটকেল নিক্ষেপের পর দুটি বেসরকারি ভবনে ভাঙচুর করা হয়। মহাখালীতে রেল ও সড়ক অবরোধ করে দুটি গাড়িতে আগুন দেয় আন্দোলনকারীরা। এছাড়া নিউমার্কেটে পুলিশ ফাঁড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়।

এদিন সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় যাত্রাবাড়ী এলাকায়। দিনভর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া আর পুলিশ-বিজিবির অ্যাকশানে প্রকম্পিত হয় গোটা এলাকা।

ঘটনা ঘটে। এসময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আশপাশের এলাকায় বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। একই সময়ে হামলা চালানো হয় স্বৈরাচারের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত বিটিভিতেও।মালিবাগ থেকে রামপুরার বিটিভি ভবন পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার সড়কের পুরোটা জুড়ে অবস্থান নেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। চলমান আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ তারা।

খবর আসতে থাকে তখন আর ঘরে বসে থাকেনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। জীবন তুচ্ছ করে যুক্ত হন আন্দোলনে। তাদের দমাতে কুড়িলে হেলিকপ্টার থেকে টিয়ারশেল ছোড়ে র‌্যাব। সাউন্ড গ্রেনেড ও গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে তারা।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

আরও পড়ুন