অনেকেই বলেছেন, এই পরিবর্তন চরিত্রের প্রয়োজনে হলেও, মিমির আগের ভাবমূর্তি এতে আঘাত পেয়েছে। এক নেটিজেন লিখেছেন, “মিমিকে একসময় শ্রদ্ধা করতাম, এখন কেমন যেন হয়ে গেল!” তবে কেউ কেউ এটিকে সাহসী ও নতুন ধারার প্রয়াস হিসেবেও দেখছেন।
সিনেমার প্রয়োজনে লুক বদল নতুন কিছু নয়। তবে তারকারা যখন জনপ্রিয়তা ও সম্মান অর্জন করেন, তখন তাদের ব্যক্তিগত ভঙ্গি অনেক সময়েই ভক্তদের আবেগে নাড়া দেয়। মিমির এই পরিবর্তনও তার ব্যতিক্রম নয়। তিনি নিজে এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে তার এই নতুন অবতার ঘিরে যে আলোচনার ঝড় উঠেছে, তা বলাই যায়- মিমি এখন শুধু অভিনয়েই নয়, বিতর্কেও চর্চার কেন্দ্রে।
২০১২ সালে ‘বাপি বাড়ি যা’ সিনেমার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক হয় মিমির। এরপর ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ তাকে এনে দেয় তুমুল জনপ্রিয়তা। সেই মিমি এখন কেবল অভিনেত্রী নন, রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। অভিনয়ে দীর্ঘ এক যুগ পার করে আবার বড়পর্দায় ফিরছেন ‘রক্তবীজ ২’–এর মাধ্যমে।









