নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
প্রথমবাবের অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী হকি দল। এবার হানিয়ার একক গান প্রকাশ করেছেন। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ৩ মাসব্যাপী ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান। খুলশীতে অনলাইন জোয়ার ডিভাইসসহ ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক। ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার অপব্যবহার ও ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত: প্রতিমন্ত্রী নুর। দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি। রাজধানীর বাজারে হঠাৎ বেড়েছে সবজির দাম। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে নতুন করে লোডশেডিং বেড়েছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন।

রাজধানীর বাজারে হঠাৎ বেড়েছে সবজির দাম।

রাজধানীর বাজারে হঠাৎ বেড়েছে সবজির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো সবজির কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। বাজারে শিম বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, গোল বেগুন ১৬০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা কেজি দরে।

বিক্রেতারা বলছেন, বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার সময় প্রতিবছরই সবজির বাজারে এমন কিছুটা অস্থিরতা দেখা যায়। বৃষ্টির কারণে ক্ষেত থেকে সবজি সংগ্রহ ও পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

আজ শনিবার রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে সবজির বাজারে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।সরেজমিনে দেখা যায়, অন্যান্য সবজির তুলনায় শিমের দাম সবচেয়ে বেশি। প্রতি কেজি শিম ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে একই শিমের দাম ছিল প্রায় ২০০ টাকা। কাঁচামরিচের দামও বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

গোল বেগুনের দামও বেড়েছে। সাদা গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে লম্বা বেগুন পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকা কেজিতে। গত সপ্তাহে বেগুনের দাম ছিল ১০০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি।

এ ছাড়া প্রতি কেজি টমেটো ১২০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, ফুলকপি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, দেশি বা হাইব্রিড শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং চিচিঙ্গা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে প্রতিটি লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক হালি লেবুর দাম ৬০ টাকা। তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

রামপুরা কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও এখনো মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ক্ষেত থেকে সবজি সংগ্রহের পাশাপাশি বাজারে পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে। সরবরাহ কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই খুচরা বাজারে দাম বেড়ে যায়।

বারিধারা ডিওএইচএস সংলগ্ন কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা মো. ফিরোজ বলেন, এ সময়টাতে সবজির দাম বাড়ার ঘটনা নতুন নয়। বর্ষার প্রভাব পুরোপুরি কেটে গেলে এবং শীতকালীন সবজি পর্যাপ্ত পরিমাণে বাজারে আসতে শুরু করলে দাম কমে আসতে পারে।

এদিকে সবজির বাড়তি দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, প্রায় সব ধরনের সবজির দামই এখন তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে শিম ও বেগুনের মতো কয়েকটি সবজি কিনতে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।

সাহারা বাজারে সবজি কিনতে আসা রায়হান হোসেন সাদা গোল বেগুন, লতি, কুমড়া, করলা, লেবুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি কেনেন। সব মিলিয়ে তার প্রায় এক হাজার টাকা খরচ হয়।

রায়হান বলেন, চাকরিজীবী হওয়ায় তিনি সাধারণত একসঙ্গে কয়েক দিনের জন্য সবজি ও মাছ কিনে রাখেন। কিন্তু গত সপ্তাহের তুলনায় এবার বাজারে প্রায় সব পণ্যের দামই বেশি মনে হয়েছে। কিছু সবজি কিনতে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেশি দিতে হয়েছে। দাম বাড়লেও প্রয়োজনীয় খাবার কেনা তো বন্ধ করা যাবে না।

বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে সবজির দাম কমলে তার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়বে। তবে বর্ষা-পরবর্তী সময়ে সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবজির বাজারে বাড়তি দাম কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন