নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
লাইসেন্স বিহীন অবৈধ ভাবে বিপুল পরিমান সার মজুদ লাখ টাকা জরিমানা। পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচির তথ্য সামনে এসেছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় ২ ঘণ্টা বাড়িয়েছে সরকার। বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে আবারও হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান। একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩২ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। শিশু অ্যাকাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পণ্যবাহী বাণিজ্যিক চালান পাঠানো হয়েছে। শেষবারের মতো মাঠে নামবেন আজেন্টিনার জার্সি নিয়ে মেসি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহ প্রকাশ। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

সিজেপি ফের দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ফের দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।সংগঠনটির অভিযোগ, আন্দোলন স্থগিতের সময় কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাস্তবায়ন করা হয়নি।
বিশেষ করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা বন্ধ এবং দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সিজেপি।গতকাল সোমবার বিভিন্ন ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, সিজেপির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা অভিযোগ করেছেন, সরকার মাত্র দুই দিনের মধ্যেই সমঝোতার শর্ত থেকে সরে এসেছে।
তার দাবি, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লিসহ কয়েকটি রাজ্যে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থী ও সংগঠনের কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান এবং মামলা অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে নতুন করে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
কী নিয়ে শুরু হয়েছিল আন্দোলন?

ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (NEET) প্রশ্নফাঁস, নিয়োগে অনিয়ম, যুব বেকারত্ব এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস আগে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। পরে এটি শুধু পরীক্ষা-সংক্রান্ত সংকটের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষা সংস্কার ও সরকারি জবাবদিহিতার দাবিতে দেশব্যাপী এক বৃহৎ আন্দোলনে রূপ নেয়।

সরকারের পদক্ষেপক্রমবর্ধমান আন্দোলনের মুখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর আইন প্রণয়নের কথাও জানান। এর আগে আন্দোলনের চাপের মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। এরপর সিজেপি আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দেয়।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন