নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৪৪ জন। টঙ্গীতে ওষুধ কারখানাতে ভয়াবহ আগুন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তা ড,ইউনুস। ২ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরাতে সহযোগিতা চায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা। ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় চ্যালেঞ্জ করে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন : ইনু। যুবরাজ সিংকে দিল্লি ক্যাপিটালসের সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সাংবাদিক ফারজানা রুপার পক্ষে আইনি লড়াই করতে যুক্তরাজ্যের ২ আইনজীবীর আবেদন। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে আজারবাইজান ও ইরাক সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান চালিয়ে ৬৩০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক। দেশে ডিজেলের দাম বাড়ায় সরকার বাসভাড়া সমন্বয় করেছে।

২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছ অস্ট্রেলিয়া সরকার। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর মাধ্যমে ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় এই অর্থায়ন করা হবে।

আজ সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, শুল্ক ও বহুসংস্কৃতি বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিলের উপস্থিতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই বহুবর্ষী অর্থায়নের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক সেবা অব্যাহত রাখা হবে। অর্থায়ন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সুরক্ষা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং অন্যান্য জরুরি সেবা পরিচালনায় সহায়তা করা হবে।

জুলিয়ান হিল বলেন, অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলের বড় মানবিক সংকটগুলো মোকাবিলায় সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, মিয়ানমার ও বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মানবিক চাহিদা পূরণে তাদের দেশের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত থাকবে।

একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমারে প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকেয়িসোনি বলেন, প্রায় নয় বছর পর রোহিঙ্গা সংকট বৈশ্বিক মনোযোগ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এই সহায়তা বিশ্ব এখনও রোহিঙ্গাদের পাশে রয়েছে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমারে পূর্ণ নাগরিকত্বসহ অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বলেন, নতুন এই অর্থায়নের মাধ্যমে নারী, কন্যাশিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

২০১৭ সালে মিয়ানমারে সহিংসতার মুখে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছে। তাদের অধিকাংশই খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, আশ্রয় ও অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টার সময় প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা নিখোঁজ হয়েছেন বা প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া ২০২৪ সাল থেকে নতুন করে প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন, যাদের অনেকেই এখনও পর্যাপ্ত আশ্রয় ও মৌলিক সেবার বাইরে রয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউএনএইচসিআর বলছে, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা জরুরি। নতুন এই অর্থায়ন রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন