নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মরণ সভায় চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ সামনে রেখে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল চূড়ান্ত। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশীদের জন্য নতুন সর্তকবার্তা। ইউরোপে ৫ দেশের মানুষের জন্য ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণে সেই যুবক গ্রেপ্তার। বলৎকার হুজুরের পক্ষে সাফাই গাইলেন: চুমু দেওয়া হুজুর তাসরিফ। মেট্রোরেলে যাএীদের নিরাপত্তা জোরদার। সীমান্তে ভারত ও চীনের সৈন্যদের মধ্যে একাধিক পয়েন্টে সংঘাত মুখোমুখি। দেশে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বলাৎকার নিত্যপন্যর মতো:সরকার কাজ করছে। চাঁদাবাজির মতো মারাত্মক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও দ্রুত ব্যবস্থা : আইজিপি।

যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ গ্রেপ্তাররা হলেন মো. দিদার আলম ও আবছার মিয়া। পুলিশের দাবি, তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন।

আজ সোমবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রোববার সীতাকুণ্ড এলাকা থেকে দিদার ও আবছারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুজন ‘সন্ত্রাসী’ মোহাম্মদ রায়হানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এর আগে একই মামলায় আরেক আসামি ধামা ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, দিদারের বিরুদ্ধে ১৩টি এবং আবছারের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে। তবে কী কারণে এবং কার নির্দেশে মাসুদুল হককে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গত ১৩ জুন দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হক চৌধুরীকে।

পরিবারের দাবি, তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কর্ণফুলী নদীর বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী রাউজান থানায় মামলা করেন। মামলায় মোহাম্মদ রায়হান, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মোহাম্মদ মোবারক, দিদারুল আলম, মোহাম্মদ ইউসুফসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও আটজনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রথমে ইলিয়াস ও দিদারুল মাসুদুল হককে লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে ইউসুফ, জাহেদ ও আবছার এগিয়ে গিয়ে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। ঘটনাস্থলটি রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত।

সিসিটিভি ফুটেজে হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের মুখ ঢাকা থাকলেও অন্যদের মুখ স্পষ্ট দেখা গেছে।পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুজনের কাছে শটগান ছিল।

এদিকে পৃথক দুটি ঘটনায় হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তারের তথ্যও জানিয়েছে জেলা পুলিশ। তাদের কাছ থেকেও দেশীয় ধারালো অস্ত্র, একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন