নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
সাক্ষাৎকালে ইউনূসের দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন। হাসিনাকে সরাসরি বিমানবন্দর থেকে ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন : নাহিদ। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী বাঁধন। দেশের প্রায় জেলাতে গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তি। যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসএইচ-১৫ ট্রাকচালিত হাউইটজার মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত। ৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। ডলারের মান দুর্বল হওয়ায় সোনার দামে নতুন করে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। চট্রগ্রামে বন্যাকবলিত এলাকায় আসছেন: প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান।

যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ গ্রেপ্তাররা হলেন মো. দিদার আলম ও আবছার মিয়া। পুলিশের দাবি, তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন।

আজ সোমবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রোববার সীতাকুণ্ড এলাকা থেকে দিদার ও আবছারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুজন ‘সন্ত্রাসী’ মোহাম্মদ রায়হানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এর আগে একই মামলায় আরেক আসামি ধামা ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, দিদারের বিরুদ্ধে ১৩টি এবং আবছারের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে। তবে কী কারণে এবং কার নির্দেশে মাসুদুল হককে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গত ১৩ জুন দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হক চৌধুরীকে।

পরিবারের দাবি, তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কর্ণফুলী নদীর বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী রাউজান থানায় মামলা করেন। মামলায় মোহাম্মদ রায়হান, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মোহাম্মদ মোবারক, দিদারুল আলম, মোহাম্মদ ইউসুফসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও আটজনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রথমে ইলিয়াস ও দিদারুল মাসুদুল হককে লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে ইউসুফ, জাহেদ ও আবছার এগিয়ে গিয়ে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। ঘটনাস্থলটি রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত।

সিসিটিভি ফুটেজে হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের মুখ ঢাকা থাকলেও অন্যদের মুখ স্পষ্ট দেখা গেছে।পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুজনের কাছে শটগান ছিল।

এদিকে পৃথক দুটি ঘটনায় হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তারের তথ্যও জানিয়েছে জেলা পুলিশ। তাদের কাছ থেকেও দেশীয় ধারালো অস্ত্র, একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন