নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত। রাজধানীসহ সারা দেশে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে র‍্যাব। মোকতাদির চৌধুরীকে জামিন দেওয়া হলে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়া অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি। এসপি মাসুদকে উদ্দেশ করে ফেসবুকে কটাক্ষপূর্ণ একটি পোস্ট। সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গোয়ালন্দঘাট থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ২০ গ্রাম হেরোইনসহ তিনজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান। রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও। সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থী। তেল উৎপাদনে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান।

আবারও কঠোর অবস্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে কদিনে ১ হাজার ৪৬৮টি মামলা করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে ৬১৮টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ৩২০টি যানবাহন রেকার করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর আটটি ট্রাফিক বিভাগে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উল্টো পথে চলাচল, সিগন্যাল অমান্য, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা করা হয়।

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে সড়ক শৃঙ্খলা নিশ্চিত এবং যানজট ও দুর্ঘটনা কমাতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

সবচেয়ে বেশি মামলা মিরপুরে

আটটি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯৬টি মামলা হয়েছে মিরপুর বিভাগে। এরপর তেজগাঁও বিভাগে ২৩৬টি এবং মতিঝিল ও উত্তরা দুই বিভাগেই ২৩০টি করে মামলা করা হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক মামলার সংখ্যা: মিরপুর: ২৯৬, তেজগাঁও: ২৩৬, মতিঝিল: ২৩০, উত্তরা: ২৩০, গুলশান: ১৪৩, ওয়ারী: ১২৭, লালবাগ: ১০৫, রমনা: ১০১

মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধেই সবচেয়ে বেশি ব্যবস্থা

অভিযানের পরিসংখ্যান বলছে, সবচেয়ে বেশি আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়েছে মোটরসাইকেল চালকদের ক্ষেত্রে। আটটি বিভাগে মোট ৫৯৫টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

ট্রাফিক কর্মকর্তাদের মতে, হেলমেট ছাড়া চলাচল, একাধিক আরোহী বহন, উল্টো পথে চলা, ফুটপাত ব্যবহার এবং বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতাই এ সংখ্যার প্রধান কারণ।

অন্যদিকে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার বিরুদ্ধেও বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ডাম্পিং ও রেকারে কঠোরতা

শুধু মামলা করেই থেমে থাকেনি ডিএমপি। অভিযানে বৈধ কাগজপত্রবিহীন, ফিটনেসবিহীন অথবা অবৈধভাবে পার্কিং করে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা ৬১৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে। এছাড়া বিকল বা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা ৩২০টি যানবাহন রেকার দিয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির বার্তা

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে হয়রানি করা নয়। সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানজট কমানো এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। আইন মেনে চললে কাউকেই মামলার মুখোমুখি হতে হবে না।”

স্থায়ী সমাধানে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

সড়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আইন প্রয়োগ নয়, দীর্ঘমেয়াদে ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে চালক ও পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, নির্ধারিত পার্কিং ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং সিসিটিভিভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে হবে।তাদের মতে, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি নাগরিকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে উঠলেই রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন