ভারী বর্ষণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী অংশের বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে।গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের স্থানে স্থানে পিচ-পাথর উঠে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ ও উঁচুনীচু তরঙ্গের সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে চরম ঝুঁকিতে পড়ছে যানবাহন।
আজ শুক্রবার সকালে গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ড থেকে দক্ষিণ উজিরপুর সীমান্ত পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পুরো মহাসড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত।
বিশেষ করে টরকী, মদিনা, গৌরনদী, আশোকাঠী, কাসেমাবাদ, মাহিলাড়া, বাটাজোর ও বামরাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। এসব স্থানে সড়কের মাঝখানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চরম ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মহাসড়কটির বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে অংশগুলো সম্প্রসারণ করা হয়েছিল, সেগুলো মূল সড়কের চেয়ে উঁচু-নিচু হয়ে থাকায় গাড়ি চালানো যাচ্ছে না।
সড়ক ও খানাখন্দ, অন্যদিকে চালকদের প্রতিযোগিতাপূর্ণ গতির কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।সড়ক ও জনপথ বিভাগ ইট দিয়ে এসব গর্ত ভরাটের চেষ্টা করলেও ভারী যানবাহনের চাপে ইট গুঁড়ো হয়ে ধুলোর সৃষ্টি হচ্ছে। এতে পথচারী ও হালকা যানবাহনের চালকেরা পড়েছেন নতুন বিপাকে।
যানবাহন চালকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ভাঙাচোরা ও উঁচু-নিচু সড়কে গাড়ি চলাচলের কারণে ইঞ্জিনের ক্ষতি হচ্ছে এবং টায়ার-টিউব ফেটে যাচ্ছে। সেই সাথে যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। দ্রুত সড়কটি পূর্ণাঙ্গ মেরামতের জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানান, মূল সড়কের সাথে বর্ধিত অংশের ভারসাম্য না থাকা এবং খানাখন্দের কারণেই মূলত দুর্ঘটনা বাড়ছে। এছাড়া মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণেও ঝুঁকি বাড়ছে। পুরো সড়কটি সঠিকভাবে সম্প্রসারণ ও মেরামত করা হলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব।
এ বিষয়ে বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহিন খান বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে সড়কের কয়েকটি জায়গায় গর্ত তৈরি হয়েছে। বিভাগীয়ভাবে তা সাময়িকভাবে সংস্কার করা হলেও বৃষ্টির কারণে মেরামত টেকসই হচ্ছে না। বৃষ্টি কমলে স্থায়ী মেরামতের কাজ করা হবে।
amardesh24.com









