নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
প্রথমবাবের অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী হকি দল। এবার হানিয়ার একক গান প্রকাশ করেছেন। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ৩ মাসব্যাপী ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান। খুলশীতে অনলাইন জোয়ার ডিভাইসসহ ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক। ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার অপব্যবহার ও ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত: প্রতিমন্ত্রী নুর। দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি। রাজধানীর বাজারে হঠাৎ বেড়েছে সবজির দাম। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে নতুন করে লোডশেডিং বেড়েছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন।

জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৭৭ দশমিক ৯: ববি হাজ্জাজ।

জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৭৭ দশমিক  শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছেছে। গত কয়েক বছরে সাক্ষরতা সম্প্রসারণে এটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। তবে এখনও দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী মৌলিক শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় দক্ষতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশু, ঝরে পড়া কিশোর-কিশোরী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্কদের দ্রুত সাক্ষর ও দক্ষ করে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমান সময়ে সাক্ষরতা শুধু নাম লেখা বা বর্ণমালা চেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাক্ষরতাকে কর্মসংস্থান, জীবনদক্ষতা, ডিজিটাল সক্ষমতা ও পরিবেশ সচেতনতার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি জানান, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার সদর উপজেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ’ পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে নিবন্ধিত ৪ হাজার ৩১২ জন ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১৯৮ জন জাতীয় যোগ্যতা কাঠামোর মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

উত্তীর্ণদের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন, যা মোট শিক্ষার্থীর ৯২ দশমিক ৪৭ শতাংশ, স্থায়ী চাকরি, শিক্ষানবিশ হিসেবে শোভন কাজ কিংবা নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে কাজের সুযোগ পেয়েছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন