নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ সাড়ে ৩ লক্ষ ইলিশ আমদানি।

নিজস্ব প্রতিবেদক: আরিফুল ইসলাম।

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে জুলাই মাসে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি এবং আগস্টে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ এসেছে। বেনাপোল ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের তথ্যমতে, জুলাই ও আগস্ট মাসে মোট ২২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব ইলিশ আমদানি করেছে। এর মধ্যে বেনাপোলের মেসার্স সততা ফিস, মেসার্স রাব্বি এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স সততা ফিস ফিড, মেসার্স ফেমাস ট্রেডার্স ও মেসার্স রিয়ান্স হাব; যশোরের মেসার্স এইচ এম আর ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স এন. কে ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স সুরাইয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও মেসার্স আরকিন ইন্টারন্যাশনাল; বাগআঁচড়ার মেসার্স জনতা ফিস; ঢাকার মেসার্স স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স শরীফ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স রুপা এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স মারিয়াম এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স সাজ্জাদ এন্টারপ্রাইজ; যাত্রাবাড়ীর একটি প্রতিষ্ঠান, খুলনার মেসার্স বিশ্বাস ইন্টারন্যাশনাল, সাতক্ষীরার মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স আশিক এন্টারপ্রাইজ এবং পাবনার মেসার্স নোমান এন্টারপ্রাইজ রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে জুলাই মাসে তিনটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি ইলিশ বাংলাদেশে আসে। আগস্টে ১৯টি আমদানি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আরও ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ আমদানি করা হয়।

তিনি জানান, আমদানি করা এসব ইলিশের মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৫১০ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে আমদানি করা ইলিশের মূল্য ছিল ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৬ টাকা এবং আগস্টে ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ টাকা।

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ইলিশ আমদানি হওয়ায় বেনাপোল, শার্শা, বাগআঁচড়া, নাভারণ, যশোর বড় বাজারসহ জেলার বিভিন্ন মাছের বাজারে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের কাছে এসব মাছ ‘মিয়ানমারের ইলিশ’ নামে পরিচিত। ক্রেতাদের অভিযোগ, দেশি ইলিশ মনে করে এসব মাছ কিনে তারা প্রতারিত হচ্ছেন। স্বাদ ও গন্ধে দেশি ইলিশের সঙ্গে পার্থক্য থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতাদের তা জানানো হচ্ছে না।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন