নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রায় ৩৬ ভরি স্বর্ণ আটক। সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ। পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দারুণ জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে থাইল্যান্ড। দুই জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাসহ অন্তত ১৪ জন নিহত। নারীদের খেলাধুলা ও পোশাকের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: মাদানী। ফ্যাসিবাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশকে নির্দেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ব্যাংককে টানা ৪৮ ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর। বনানীর ২৬ তলা ভবনে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রায় ৩৬ ভরি স্বর্ণ আটক।

শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রায় ৩৯৭.৭ গ্রাম (প্রায় ৩৬ ভরি) স্বর্ণালংকার, ৮টি মোবাইল ফোন ও ৩টি ল্যাপটপসহ ৩ জনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন-১৩)।
এর আগে রাত আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিংয়ের নিচতলায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় তাদের আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা কৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এপিবিএন সদস্যরা তাদের আটক করেন।
আটককৃতরা হলেন, রাবিয়া বেগম (৪৮), আকাশ আহমেদ (৩৫), মো. জলিল (৪৬)।
আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করে সর্বমোট ৩৯৭.৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার, ৮টি মোবাইল ফোন ও ৩টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত প্রতিটি স্বর্ণালংকার ২২ ক্যারেট মানের বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও ল্যাপটপ বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন যাবৎ বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় আজ একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। তারা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ এনে নিজ হেফাজতে রাখায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ সালের ২৫বি (১)(বি)/২৫-ডি ধারায় অপরাধ করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার (অপারেশনস) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “বিমানবন্দর এলাকায় যেকোনো অপরাধ দমন ও চোরাচালান প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সক্রিয় ভূমিকা
পালন করছে। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের অপতৎপরতা রোধে এপিবিএন পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো চোরাচালান রোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
amardesh24.com

আরও পড়ুন