নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল প্রকাশ পিছিয়ে দিয়েছে ওপেনএআই। ইরাক থেকে সামরিক উপস্থিতি গুটিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুর্দান্ত এক প্রত্যাবর্তনের জয় পেয়েছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। বিশ্ববাজারে তেলের দাম টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বেড়েছে। রাখাইন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ৫০। উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। বিলম্বের জন্য সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী। শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ ৯৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেষ। বৃহস্পতিবার ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশিদের জন্য আবারও খুলেছে মালয়েশিয়ার ভিসা।

শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ ৯৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেষ।

শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ ৯৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেষ হলেও নতুন করে এর মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে সামগ্রিকভাবে প্রকল্পটির খরচ ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেড়েছে এবং মেয়াদ ২০ ২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের এই তৃতীয় সংশোধনী অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন সংশোধনীর পর প্রকল্পটির মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২১৩ কোটি ৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।

সভা শেষে ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি ও সচিব এস এম শাকিল আকতার জানান, প্রকল্প চালুর আগেই রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, হাই স্পিড ইন্টারনেট, ইমিগ্রেশনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং ঠিকাদারের সঙ্গে বিরোধ নিষ্পত্তির আপস বাবদ বকেয়া পরিশোধের কারণে এ ব্যয় বেড়েছে। তবে সরকারি খাত থেকে সিডি, ট্যাক্স ও ভ্যাট বাবদ খরচ ১৩৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা কমেছে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৬ ডিসেম্বর এই টার্মিনাল আংশিকভাবে চালু হতে পারে।

এদিনের একনেক সভায় এই প্রকল্পসহ মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়, যার সমন্বিত প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

অনুমোদিত উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- ৪ হাজার ৩৯ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে যক্ষ্মা, এইচআইভি/এইডস ও ম্যালেরিয়া মোকাবিলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা জোরদারকরণ প্রকল্প; রংপুর বিভাগের উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণে ৪ হাজার ৯৪৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকার প্রকল্প; এবং তিন পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ২ হাজার ৯১০ কোটি ২২ লাখ টাকার নতুন প্রকল্প।

এছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সম্প্রসারণে ৩০৮ কোটি টাকা, ফেনী ও ভোলায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ ও পানি ব্যবস্থাপনায় আলাদা দুটি প্রকল্প এবং ১ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, তিনটি জেলায় ডিজিটাল ভূমি জরিপ এবং মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ীর গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় সংশোধন করা হয়েছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন