নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
মরক্কোর প্রথম নারী সরকার প্রধান হলেন ফাতিমা জাহরা। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ১২টি ঠিকানায় একযোগে এই তল্লাশি শুরু করে। ধনী অভিনেতা হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন শাহরুখ খান। নারীর গোসলের গোপনে ধারণ করে ১৫ লাখ টাকা চাঁদাদাবি গ্রেপ্তার ১। তিন দফা কমার পর আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ একজন আটক। ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জনকে গ্রোপ্তার করেছে পুলিশ। নানা সংকটের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ফ্রান্সে। বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।

বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, চাকরি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে। তাঁর বক্তব্যের এই অংশটি একাধিক সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।

সম্প্রতি চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারকে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ঘর নির্মাণ ও পুনর্বাসনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এ জন্য পরিবারপ্রতি ৩০ হাজার টাকা করে মোট ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘যেখানে ব্যর্থ হয়েছি, আমরা দুঃখ প্রকাশ করেছি, ক্ষমা চেয়েছি। কারণ, জনগণের সঙ্গে আমাদের আত্মার সম্পর্ক। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির পরিবর্তনে সরকার স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সময় নিয়ে কাজ করছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার সমাধান করে পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে আবারও ভোট চাইতে যাব।’

মীর শাহে আলম আরও বলেন, ‘বাইশ কিলোমিটার রাস্তার জন্য আমরা বাইশ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। একটি রাজনৈতিক সরকার এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে। এখানে আমাদের রাজনৈতিক ভাবে কিছু স্বার্থ আছে। স্বার্থ কি?- আমাদের মনোনীত প্রার্থীকে আপনারা এমপি বানাবেন, আমাদের মনোনীত প্রার্থীকে আপনারা উপজেলা চেয়ারম্যানে, ইউনিয়ন  চেয়ারম্যানে ভোট দেবেন। আমাদের মনোনীত প্রার্থীকে আপনারা পৌরসভার মেয়রে ভোট দেবেন- ঠিক কি না। বিগত নির্বাচনে কী হয়েছে, না হয়েছে আমরা সবাই জানি। এ প্রসঙ্গে বাববার কথা বলে মনের বেদনাকে ওপরে নিয়ে আসার দরকার নাই। কষ্ট শুধু আপনাদের মধ্যে নাই, সাইফুল, এমদাদসহ আরও যারা এমপি হয় নাই এ কষ্ট আমাদের মনেও আছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হৃদয়ের মধ্যেও আছে। এই ৬ মাসে যে টুকু হয়েছে, এরমধ্যে আমরা এখানে বাইশ কোটি টাকা দিয়েছি। সামনে কিছু পরীক্ষা আছে আপনাদের, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে সাইফুল যাদের মনোনয়ন দিবে চেয়ারম্যান হিসেবে সেই লোকগুলোকে আপনাদের নির্বাচন করতে হবে। যদি এলাকার এবং মানুষের উন্নয়ন চান। উপজেলা চেয়ারম্যান বানাতে হবে বিএনপি থেকে, পৌরসভার মেয়র বানাতে হবে বিএনপি থেকে। তবেই ভেন্ডারবাড়ি উপজেলা হবে। বাকি রাস্তা হবে, দরগার উন্নয়ন হবে, মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন হবে। একটি রাজনৈতিক সরকারের মানুষের সাথে আমাদের লেনদেনের সম্পর্ক। কথা স্পস্ট।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনাদের ফ্যামিলি কার্ড দেব, কৃষক কার্ড দেব, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা দেব, চাকরি দেব, স্বাস্থসেবা দেব, খাল খনন করবো, রাস্তা-ঘাট-ব্রিজ… অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যা যা করার আমরা করবো। এর বিনিময়ে আমাদের দাবি একটাই, ভোট দিতে হবে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীকে। এটা যদি না করেন তাহলে সরকার, আমরা অসন্তুষ্ট হবো। তখন আর নতুন নতুন রাস্তার ভিত্তি প্রস্তরের জন্য আমরা আর আসব না।’

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক দল আছে, যারা ধর্মের ব্যবহার করে। তারা এ অঞ্চলেও বেহেশতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ভোট চেয়েছিল। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, আমরা আপনাদের বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে পারবো না। বেহেশত দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহ প্রদত্ত কোরআন, হাদীস এবং নবী করিম (সা:) এর যে অছিয়ত নছিয়ত আছে সেটা পালন করেই আপনাদের বেহেশতে যেতে হবে। আমরা আপনাদের উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন। ওই সময় জামায়াতের নেতাদের ‘রাজাকারের’ পরিচয় থেকে বের করে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে জামায়াত সেই বিষয়টি ভুলে গেছে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান শামীম, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইদ্রিস মিয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন ও বিএনপি নেতা মিশকাতুল আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন