নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগপত্রের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার। ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের নাম পরিবর্তন। সংসদ সদস্যের গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানকে ৪ দিনের রিমান্ডে। বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে এশিয়ান। কেরালায় স্বামীর সহযোগিতায় স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত ও বিক্রির অভিযোগে দুটি ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা। জলযান পরিচালনা করে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছে চীনের একটি গবেষক দল। তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক। সচেতনতামূলক সেশনের জন্য ত্রৈমাসিক ক্যালেন্ডার তৈরির নির্দেশ। স্ত্রীর মোবাইলে আসে ৫০০ রুপির ট্রাফিক চালানের এসএমএস।

ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের নাম পরিবর্তন।

কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘কমিউনিকেশন, মিডিয়া অ্যান্ড ফিল্ম’ করা এবং বিভাগটিকে কলা অনুষদ থেকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে স্থানান্তরের দাবিতে বিভাগে তালা ঝুলিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিভাগের ভেতরে অবস্থানরত বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. জিল্লুর রহমান পলসহ অন্যান্য শিক্ষক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা ‘আমাদের দাবি মানতে হবে, মানতে হবে’, ‘মিডিয়া স্টাডিজের সঙ্গে কমিউনিকেশন যুক্ত করতে হবে’, ‘কারিকুলাম গ্লোবাল, ফ্যাকাল্টি কেন লোকাল’ এবং ‘সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে বিভাগকে নিয়ে যেতে হবে’—এসব স্লোগান দেন।

এর আগে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) একই দাবিতে একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করে বিভাগের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। পরে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়ে দাবিগুলো উল্লেখ করে বিভাগীয় প্রধানের কাছে স্মারকলিপি দেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ইনজামুল হক অভি বলেন, তারা প্রায় ১৪ মাস ধরে দাবিগুলো নিয়ে আন্দোলন করছেন। বিভাগের কারিকুলামে কমিউনিকেশন বিষয়টি পড়ানো হলেও বিভাগের নামে ‘কমিউনিকেশন’ শব্দটি না থাকায় চাকরির বাজারে শিক্ষার্থীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে বিভাগটি কলা অনুষদের অধীনে থাকায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত কিছু চাকরিতে তারা আবেদন করতে পারছেন না বলেও জানান।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নথি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের দাবি কোনো অতিরিক্ত সুবিধা নয়; বরং একাডেমিক পরিচয় ও চাকরির সুযোগের মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার দাবি। আগামী সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টির স্থায়ী সমাধান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আরেক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মহসিন হক শাহ বলেন, দাবির যৌক্তিকতা যাচাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। তদন্ত শেষে কমিটিও তাদের দাবির পক্ষে প্রতিবেদন দিয়েছে। এরপরও দাবি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন