নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
গোবিন্দের বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ তুলেছিলেন সুনীতা। আইসিটি ল্যাবের জানালার গ্রিল কেটে ১৫টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি। চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ইদ্রিস মিয়া। কালিহাতীতে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৮১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবক গ্রেপ্তার। ব্যাংক কলোনীতে বাসায় ডেকে জিম্মি করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি গ্রেপ্তার ২। জাল ভিসার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাচার ২১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। সালাউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোকলেস মিয়া জামিনে মুক্তি। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও। বাধ্য হয়েই সরকারকে এলপিজি গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে । রিকশা চালক হত্যা মামলায় নাঈমুজামান গ্রেপ্তার।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পণ্যবাহী বাণিজ্যিক চালান পাঠানো হয়েছে।

প্রথমবারের মতো ভারতের আসাম থেকে সরাসরি জলপথে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পণ্যবাহী বাণিজ্যিক চালান পাঠানো হয়েছে গতকাল সোমবার আসামের ডিব্রুগড়ের বগিবিল টার্মিনাল থেকে ৫৪০ টন মিথানল নিয়ে একটি বার্জ ঢাকার পানগাঁও অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

শহরটির ঐতিহ্যবাহী নৌঘাট বন্ধ হওয়ার প্রায় ৭০ বছর পর এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের মধ্যে অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও নৌপথবিষয়ক মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল বগিবিল থেকে ‘ডিএলবি পাতকাই’ নামের পণ্যবাহী বার্জটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা উদ্বোধন করেন। বার্জটিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ‘কুশল কুনওয়ার’ নামের একটি শক্তিশালী টাগবোট। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

আসামের নামরূপে অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেড’-এর উৎপাদিত মিথানল বহনকারী বার্জটি ভারতের ন্যাশনাল ওয়াটারওয়ে-২ বা ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছাবে। এরপর ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল রুট ব্যবহার করে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও ধলেশ্বরী হয়ে বুড়িগঙ্গা তীরের পানগাঁও নৌবন্দরে নোঙর করবে। ডিব্রুগড় থেকে পানগাঁও পর্যন্ত চালানটিকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার জলপথ পাড়ি দিতে হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এটিকে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বহুমুখী যোগাযোগ বৃদ্ধি করার অংশ হিসেবেই এ বাণিজ্য সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, উনিশ শতকে পূর্ব ভারতের অন্যতম ব্যস্ত নদীবন্দর ছিল ডিব্রুগড়। ১৮৫৬ সাল থেকেই কলকাতা ও ডিব্রুগড়ের মধ্যে নিয়মিত স্টিমারে চা, কাঠ ও যাত্রী পরিবহন হতো। তবে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ এবং ১৯৫০ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পে নদীর তলদেশের পরিবর্তনের পর এ বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে। ১৯৫৪ সালে পণ্য বুকিং বন্ধ হওয়ার পর ১৯৫৬ সালের ১৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ডিব্রুগড় নৌঘাট বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সাত দশক পর পুনরায় পণ্য পরিবহনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক এ নৌপথটি আবার সচল হলো।

amardesh24.com

আরও পড়ুন