নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নির্ধারিত আগামী ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ওয়াসিম আকরাম হত্যা মামলার আসামি জিয়া রনি এনসিপি নেতা। নাগেশ্বরীতে ১১,৭০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার। আলোচিত চিএনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুটি অবৈধ ইটভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা। ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ডিবিসি টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ইকবালকে গ্রেপ্তার করেছে : ডিবি পুলিশ।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।

লোহাগাড়ায় চাপোড়া খালের গতিপথ পরিবর্তন করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে লোহাগাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হাকিম লিটন বাদী হয়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০২৩)-এর ১৫(১) ধারায় মামলাটি করেন।

এর আগে একই দিন বিকেলে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জঙ্গল পদুয়া গ্রামের উলুবনিয়া এলাকায় চাপোড়া খাল ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ ও বন বিভাগ।

এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত দুটি শ্যালো মেশিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন সরওয়ার কামাল (৪২), হুবায়ের (৩৬), মো. জিয়াবুল (৪২), ভুট্টো (৩৭), মো. রাকিব (২৫) ও মো. শফিক (৩০)। তাঁদের সবার বাড়ি পদুয়া ইউনিয়নে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সরওয়ার কামালের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে চাপোড়া খাল ও পার্শ্ববর্তী পাহাড় থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুটি পুরোনো শ্যালো মেশিন, একটি লোহার পাম্প ও দুটি সবুজ রঙের হার্ড প্লাস্টিকের সাকশন পাইপের কাটা অংশ জব্দ করা হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে পাহাড়ের নিচের মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বাড়ছে। এর আগে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার অভিযান চালালেও পরে আবারও বালু উত্তোলন শুরু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে প্রধান আসামি সরওয়ার কামাল দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বালু উত্তোলন করে আসছেন।

প্রশাসনের অভিযান ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকায় খাল ও পাহাড়ের পরিবেশ, কৃষিজমি এবং পানিপ্রবাহ হুমকির মুখে পড়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পদুয়া রেঞ্জের হাঙর বন বিট এলাকায় টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আওতায় সৃজিত বাগানের ভেতর দিয়ে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি করেন।

ওই রাস্তা দিয়েই উত্তোলিত বালু পরিবহন করা হতো। বন বিভাগ কয়েক দফায় কাঁটাতারের বেড়া, গাছের বেষ্টনী ও এক্সকাভেটর দিয়ে গর্ত তৈরি করে রাস্তা বন্ধ করলেও পরে তা আবার চালু করা হয়।

পদুয়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রিয়াদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আসামিরা বন বিভাগের পাহাড় ও সুফল বাগানের ক্ষতি করে অবৈধভাবে বালু পরিবহন করে আসছিলেন।

বনভূমি রক্ষায় বিভিন্ন সময় বাধা দেওয়া হলেও তাঁরা আবার রাস্তা চালু করেন। বনভূমি ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন