নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে থানচিতে বিদ্যালয় চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ ডিসেম্বর ২৪

*দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে থানচিতে বিদ্যালয় চালুকরল সেনাবাহিনী*

শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বান্দরবানের থানচি সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিদ্যালয় চালুকরন এবং মানবিক সহায়তা বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ, সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দায়িত্বপূর্ণ বাকলাই পাড়া সাবজোনের সিমত্লাম্পিপাড়ায় বান্দরবান রিজিয়নের সহায়তায় বিদ্যালয় চালুকরণ, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ, মানবিক সহায়তা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়

দি ম্যাজেস্টিক টাইগার্স এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরদার জুলকার নাইন, বিএসপি, পিএসসি উপস্থিত হয়ে পাড়াতে সকলের সাথে কুশলাদি বিনিময় ও উক্ত সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় সেনা সাবজোন কমান্ডার ছাড়াও সামরিক বেসামরিক বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন

শিক্ষা উপকরণ ও অনুদান পেয়ে পাড়াবাসী সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং বলেন,”সেনাবাহিনী আমাদের যে সেবা ও সহযোগীতা করছে তা সত্যি প্রশংসার দাবিদার। আমরা বম সম্প্রদায় সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নতুন প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয় আমাদের সন্তানদের শিক্ষার মান কে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং আমাদের সুন্দর জীবন যাপনের সহায়তা করবে।”

পাড়া পরিদর্শনকালে অধিনায়ক ১৬ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট বলেন, সেনাবাহিনী সব সময় সাধারণ জনগনের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। পাহাড়ে বসবাসরত সব জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সুরক্ষার পাশাপাশি সবার মাঝে সম্প্রীতি বজায় রাখতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর।

 

 

 

আরও পড়ুন