সৈয়দপুর গোলহাটের কসাই সুলতান জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মাসখানেক আগেই ঢাকার অনেকেই সৈয়দপুরের কসাই বুকিং দিয়ে রেখেছেন। এ কারণে ঈদের ২/৩ দিন আগেই ঢাকায় সব কসাইকে পৌঁছাতে হবে। হাজারে ২শ টাকা দিতে হবে বলে কসাইদের সঙ্গে কন্ট্রাক হয়েছে। সে হিসেবে এক লাখ টাকার একটি গরুতে কসাইকে দিতে হবে ২০ হাজার টাকা।
সৈয়দপুর গোস্তহাটির কসাই রাব্বি, নওশাদ, মিন্টুসহ আরও অনেকে ইতোমধ্যে বিমানের টিকিট বুকিং করে নিয়েছেন। ঈদের আগের দিন বিমানে করে তারা ঢাকা যাবেন। তারা জানান, আগামী কয়েক দিনে ট্রেন ও বাসে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন আমাদের অনেক কসাই। আমরা যেহেতু বিমানে যাচ্ছি, তাই ঈদের আগের দিন যাব। ঢাকায় বেশ কয়েক যায়গায় বুকিং হয়ে গেছে আমাদের।
কলিম মোড় এলাকার কসাই মোস্তাকিম, ইলিয়াস, জাম্বুসহ অন্যরা জানান, এবার ঢাকায় গিয়ে কোরবানির পশুর মাংস কাটার কাজ করবেন সৈয়দপুরের শতাধিক কসাই। চারজন করে একটি গ্রুপে পশু কাটার কাজটি করবেন তারা। তিন দিনে একেকটি গ্রুপে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৬টি গরু কাটতে পারবেন। এতে করে একেকটি গ্রুপ ৪ লাখ টাকা আয় করতে পারবে।
হানিফ এন্টারপ্রাইজের সুপারভাইজার জুয়েল সময়ের আলোকে বলেন, ১৫-২০ জন কসাই ঢাকা যাওয়ার জন্য আমাদের পরিবহনের প্রথম শ্রেণির টিকিট চেয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ টিকিট নিয়ে গেছেন। সৈয়দপুর থেকে অনেক কসাই ঈদের আগের দিন বিমানযোগে ঢাকায় যাবেন বলে জানান সৈয়দ পুর বিমানের টেকনিক্যাল ইনচার্জ সুজন।
রাজধানীর মিরপুরে থাকেন আইয়ুব নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তা। চাকরির সুবাদে তিনি সৈয়দপুরে ছিলেন দীর্ঘদিন। এ কারণে এ শহরের অনেকেই তার পরিচিত। ঈদে কোরবানির মাংস কাটতে মোবাইলে সৈয়দপুরের একজন কসাইয়ের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে তার। ঈদের দিন সকালে মিরপুরের বাসায় গিয়ে কোরবানির গরুর মাংস কাটতে হবে।









