নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়তার মূল কারিগর ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। লাল বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পা রাখার সুযোগ মেলে না। রাজনীতি শিখতে মেঘনার বাসায় আসতেন: পাটোয়ারী। প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু করতে যাচ্ছে হাইওয়ে পুলিশ। এবার কন্যাসন্তানের মা হলেন টালিউড অভিনেত্রী পূজা। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে ৫৫৯ জনকে আটক। ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি। মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ। ৩২ নম্বরে ১৫ আগস্টে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক এক যুবককে কারাগারে প্রেরণ। বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন করে ৪ নেতাকে অন্তর্ভুক্ত।

মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রাক্তন চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ ১৯৪৫ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষ্যে সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি।গতকাল শুক্রবার সকালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সারা দেশের দলীয় কার্যালয় ও মসজিদে দোয়া এবং মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকায় বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির মূল কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচিগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

জীবন ও শিক্ষাজীবন

খালেদা জিয়ার পারিবারিক নাম খালেদা খানম এবং ডাকনাম ছিল ‘পুতুল’। তাঁর বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের পৈতৃক বাড়ি ফেনীতে হলেও তিনি ভারতের জলপাইগুড়িতে বোনের বাসায় থেকে পড়াশোনা ও চা ব্যবসা পরিচালনা করতেন। পরবর্তীতে পরিবার নিয়ে তিনি দিনাজপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। খালেদা জিয়া সেখানকার একটি মিশনারি স্কুল এবং পরবর্তীতে দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

রাজনীতি ও নেতৃত্ব

১৯৬০ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তৎকালীন ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খালেদা জিয়ার বিবাহ হয়। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর দলের দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া।

১৯৮৩ সালে তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি সাতদলীয় জোট গঠন করে এরশাদবিরোধী আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলনের মাঠে কোনো সমঝোতায় না গিয়ে দৃঢ় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধি পান।

শাসনকাল ও পরবর্তী জীবন

১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি আরও দুই মেয়াদে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ওয়ান-ইলেভেনের ফখরুদ্দীন-মউনউদ্দিন সরকারের আমলে তিনি কারারুদ্ধ হন এবং ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় কারাবন্দি হন।

দীর্ঘদিন শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগে গত ৩০ ডিসেম্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি দলটির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপি নেতৃত্বের হাল এখন তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানের হাতে, যিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন