মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য যুক্তরাষ্ট্ গোপন করার চেষ্টা করলেও তা প্রকাশ্যে এসেছে বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলা প্রতিহত করতে জর্ডানে মোতায়েন মার্কিন বাহিনী প্রতিটি প্রায় ৪০ লাখ ডলার মূল্যের ৫০টি প্যাট্রিয়ট প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে ইরানের উন্নত প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত হামলার কৌশলের কারণে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যাপক চাপের মুখে পড়ে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান টানা পাঁচ দিন ধরে জর্ডানে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বিপুলসংখ্যক ড্রোন ও গতিপথ পরিবর্তনে সক্ষম উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। ধারাবাহিক এসব হামলায় মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাপকসংখ্যক প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে হয়।
১৭ জুলাই হামলার পঞ্চম দিনে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন প্রতিরক্ষা বলয় ভেদ করে সরাসরি একটি সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানে। পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত এবং শতাধিক সেনা আহত হন। হামলায় কয়েকটি সামরিক বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের ধারাবাহিক হামলা মোকাবিলায় বিপুলসংখ্যক ব্যয়বহুল প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করায় যুক্তরাষ্ট্রের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের পরিবর্তিত ও সমন্বিত হামলার কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। এতে দেশটির সামগ্রিক আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
amardesh24.com









