নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
দুই বলে ২ উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ। ডিএমপি অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৪ জনকে গ্রেপ্তার। সাইফ আলি খানের পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহের কমতি নেই। হাঁড়ি পাতিল থেকে খাবারে মিশছে বিষাক্ত সিসা গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন পাত্রে। টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান। মালয়েশিয়া এসডিএন বিএইচডি প্রতিষ্ঠানে ‘অপারেশনস অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পদে তাদের নিয়োগ। শামান্তা শারমীন এনসিপি ছাড়লেন। তাহসিফ হত্যা মামলায় আবারও ৩ দিনের রিমান্ড: দ্বীপ। এনসিপি নেতাদের প্রতি ক্ষোভ ঝাড়লেন: গোলাম মওলা রনি।

হাঁড়ি পাতিল থেকে খাবারে মিশছে বিষাক্ত সিসা গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন পাত্রে।

হাঁড়ি পাতিল থেকে খাবারে মিশছে বিষাক্ত সিসা। গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন পাত্রে প্রথমবার রান্না করা প্রতি কেজি সাদা ভাতে সর্বোচ্চ ৩০৫ মাইক্রোগ্রাম এবং খিচুড়িতে ৪২০ মাইক্রোগ্রাম সিসা পাওয়া গেছে। অথচ শিশু ও ছোট শিশুদের খাবারে সিসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) নির্ধারিত রেফারেন্স মাত্রা প্রতি কেজিতে মাত্র ১০ মাইক্রোগ্রাম।

অর্থাৎ নতুন অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে রান্না করা খাবারে সিসার উপস্থিতি নির্ধারিত মাত্রার ৩০ থেকে ৪০ গুণ পর্যন্ত বেশি পাওয়া গেছে। এতে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ, শেখার সক্ষমতা ও আচরণে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় এ উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি অ্যালুমিনিয়ামের নতুন ও পুরোনো উভয় ধরনের পাত্রে রান্না করা খাবারেই সিসা মিশতে পারে। তবে নতুন পাত্রে প্রথম কয়েকবার রান্নার সময় সিসা নির্গমনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। নিয়মিত ব্যবহারে এই পরিমাণ কমে এলেও তা নিরাপদ মাত্রার নিচে নামে না।

গবেষকদের ভাষ্য, বাংলাদেশে পুরোনো অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল বদলে নতুন পাত্র কেনা কিংবা পুরোনো কাপড়ের বিনিময়ে নতুন পাত্র নেওয়ার প্রচলন রয়েছে। কিন্তু পাত্র নতুন বা চকচকে হলেই সেটি নিরাপদ এমন ধারণা ঠিক নয়। কারণ, স্থানীয়ভাবে তৈরি অনেক অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র পুরোনো স্ক্র্যাপ ধাতু গলিয়ে প্রস্তুত করা হয়। এসব ধাতু যথাযথভাবে পরীক্ষা করা না হলে এর মধ্যে থাকা সিসা নতুন পাত্রেও থেকে যেতে পারে।

গবেষণাটি ন্যাচার গ্রুপের জার্নাল ‘জার্নাল অব এক্সপোজার সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এপিডেমিওলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পরিবার থেকে সংগ্রহ করা সাতটি ব্যবহৃত এবং বাজার থেকে কেনা ২০টি নতুন অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র পরীক্ষা করা হয়। প্রথমে পাত্রগুলোর ধাতুতে সিসার উপস্থিতি ও পরিমাণ নির্ণয় করেন গবেষকেরা। পরে পাত্রগুলো গরম করে তাতে সাদা ভাত ও খিচুড়ি রান্না করা হয়। রান্না শেষে পানি ও খাবারে সিসার মাত্রা পরীক্ষাগারে পরিমাপ করা হয়।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, পাত্র পরিষ্কারের পদ্ধতি এবং রান্নায় ব্যবহৃত সরঞ্জামের কারণেও খাবারে সিসা মিশে যাওয়ার পরিমাণ বাড়তে পারে।

নতুন অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র স্টিলের তারের মাজুনি দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করলে, না ঘষে ব্যবহারের তুলনায় খাবারে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি সিসা মিশেছে। একইভাবে ধাতব খুন্তি দিয়ে খাবার নাড়াচাড়া করলেও সিসা নির্গমনের পরিমাণ বেড়েছে।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউম্যান অ্যান্ড প্ল্যানেটারি হেলথের প্রজেক্ট আনলেডেডের পরিচালক ড. জেনা ফরসিথ বলেন, গবেষণায় রান্নার পাত্র এবং ওই পাত্রে তৈরি খাবার—দুটিতেই সিসার পরিমাণ পরীক্ষা করা হয়েছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন