সাম্প্রতিক সময়ে বাসে অগ্নিসংযোগ এবং বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাগুলোকে পরিকল্পিত নাশকতা হিসেবে বিবেচনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব ঘটনার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করছে সংস্থাটি।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর২৬) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এ অবস্থানের কথা জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীতে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটির পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্ট আতঙ্ক কাটাতেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নাশকতার ঘটনাগুলোর তদন্তের অগ্রগতি তুলে ধরে আকতার জানান, প্রতিটি বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে পুলিশ।
এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও সেগুলোর অঙ্গসংগঠনের সদস্য রয়েছেন
ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ছাড়া নাশকতার উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্প কিংবা অন্য কোনো স্থান থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নাশকতায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলেও জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
amardesh24.com









